আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি

মুসলিম বিশ্বের পরাজয়ের ছয় কারণ

16 Apr, 2024 Super Admin 571 ভিউ
মুসলিম বিশ্বের পরাজয়ের ছয় কারণ

এ কথা বলার অপেক্ষা  রাখে না- মুসলিম বিশ্ব আজ আক্রান্ত। প্যালেস্টাইন থেকে মিয়ানমার, ইরাক থেকে আফগানিস্তান, সিরিয়া থেকে লিবিয়া, সবখানেই মুসলিমরা আজ নির্যাতনের শিকার। মুসলিম বিশ্ব মানেই যেন লণ্ডভণ্ড ঘরবাড়ি, অসহায় শিশু, ক্ষুধার্ত মুখ, উদ্বাস্তু জীবন, বাঁচার জন্য আকুতি, অপমান আর লাঞ্ছনা।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, একদা যেই জাতিটি শিক্ষায় , সভ্যতায়, জ্ঞান-বিজ্ঞানে, আবিষ্কারে, অর্থনৈতিক স¶মতায়, সামরিক শক্তিতে বিশ্বের সেরা জাতি ছিল, সেই জাতির আজ এই শোচনীয় পরিণতির কারণ কী? আসুন ব্যাখ্যা করা যাক।
জাতি নেই
মুসলিম জাতি একদা ছিল লৌহকঠিন ঐক্যবদ্ধ জাতি। রসুল (সা.) ও তাঁর সাহাবীদের অকল্পনীয় কুরবানি ও সংগ্রামের মাধ্যমে আটলান্টিকের তীর থেকে চীন সীমান্ত, উত্তরে উরাল পর্বতমালা থেকে দক্ষিণে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত বিশাল এই জনগোষ্ঠী ছিল ঐক্যের বলে বলিয়ান। কিন্তু সেই জাতি আর নেই। এখন আমরা মুসলিম বলে যে জনগোষ্ঠী দেখতে পাই, তাদের মধ্যে ঐক্যের লেশমাত্রও নেই। এরা সংখ্যায় ১৮০ কোটি হলেও তাদের জাতীয় পরিচয় আর মুসলিম নেই। তারা এখন ৫৭টার মতো ভৌগোলিক রাষ্ট্রে আলাদা আলাদা জাতীয় পরিচয়ে বিভক্ত। প্রত্যেকটা মুসলিম দেশের আছে আলাদা আলাদা সংবিধান, আলাদা সরকার, আলাদা আইন। যার যার দেশের স্বার্থই তাদের কাছে মুখ্য। প্রতিবেশী দেশের মুসলমানরা ধ্বংস হলেও তাদের কোনো বিকার নেই। তবে শুধু ভৌগোলিক জাতিরাষ্ট্রই নয়, এছাড়াও ধর্মীয়ভাবে তারা শিয়া, সুন্নি, হানাফি, হাম্বলি ইত্যাদি শত শত মাজহাবে, ফেরকায় বিভক্ত এবং আধ্যাত্মিকভাবেও বিভক্ত বিভিন্ন তরিকায়। এছাড়াও মানুষের তৈরি বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করার ফলে রাজনৈতিকভাবেও তারা বিভিন্ন দলে-উপদলে বিভক্ত। এই অনৈক্য আজ মুসলিম বিশ্বকে এতটাই দুর্বল করে রেখেছে যে, সংখ্যায়, আয়তনে, প্রাকৃতিক সম্পদে শক্তিশালী হবার পরও তারা সর্বত্র লাঞ্ছিত, অবহেলিত ও নির্যাতিত হচ্ছে। তাদের দেশগুলো অন্যায়ভাবে ধ্বংস করে ফেললেও তারা কোথাও বিচার পাচ্ছে না।
নেতা নেই
এই উম্মাহর পরাজয়ের দ্বিতীয় কারণ হলো তাদের কোনো অবিসংবাদিত নেতা নেই। মুসলিম উম্মাহ কখনও নেতাহীন থাকতে পারে না। বিশ্বনবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) ও তাঁর সাহাবীগণ কখনও নেতাহীন ছিলেন না। যখন মহানবী (সা.) আরব উপদ্বীপে আল্লাহর হুকুম প্রতিষ্ঠা করে ইন্তেকাল করলেন, তখন সঙ্গে সঙ্গে সাহাবীগণ তাদের জাতির নেতা বা ইমাম হিসেবে আবু বকর (রা.) কে গ্রহণ করে নিয়েছিলেন। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য খলিফাগণ জাতির কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সাহাবীরা কখনও কল্পনাও করতে পারতেন না যে, তাদের কোনো কেন্দ্রীয় নেতা থাকবে না। কিন্তু আজ মুসলিম জাতির কোনো কেন্দ্রীয় নেতা বা ইমাম বা আমিরুল মু’মিনিন নেই। ফলে অভিভাবকহীন এই জনগোষ্ঠীকে যে যেভাবে পারছে, আঘাত করছে। আর এই জনগোষ্ঠীও উদ্ভ্রান্তের মতো একেকজন একেকদিকে ছুটছে। কখনওবা নিজেরাই নিজেদের সঙ্গে মারামারিতে লিপ্ত হচ্ছে।
আকিদা নেই
মুসলমানদের পরাজয়ের অন্যতম বড় কারণ ইসলামের আকিদা ভুলে যাওয়া। এই জাতি ভুলে গেছে তাদেরকে কেন একটি ঐক্যবদ্ধ, সুশৃঙ্খল, সংগ্রামী জাতি হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। বিশ্বনবী মোহাম্মদ (সা.) এর আগমন হয়েছিল সারা বিশ্বের মানুষকে ন্যায়ের প¶ে ঐক্যবদ্ধ করে মহাজাতিতে পরিণত করার জন্য। তিনি ও তাঁর সাহাবীদের উদ্দেশ্য ছিল এমন পৃথিবী বিনির্মাণ করা যেখানে থাকবে না যুদ্ধ-সংঘাত, থাকবে না গায়ের রঙের ভিত্তিতে বা ভাষার ভিত্তিতে বা অঞ্চলভেদে মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ। কিন্তু সেই আকিদা এখন হারিয়ে গেছে। বর্তমানে মুসলিম উম্মাহর সামনে সামষ্টিক কোনো ল¶্য উদ্দেশ্য (আকিদা) নেই। দুনিয়া ইবলিশের হাতে ছেড়ে দিয়ে মুসলমানরা এখন পরকালের মুক্তির আশায় নামাজ রোজা, হজ্ব ইত্যাদি আনুষ্ঠানিকতা পালন করে চলেছে।
জেহাদ নেই
রসুল (সা.) এর আগমনের উদ্দেশ্য ছিল সমস্ত পৃথিবীতে আল্লাহর দেওয়া সত্যদীন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পৃথিবী থেকে অন্যায় অবিচার যুদ্ধ রক্তপাত নির্মূল করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। (ফাতাহ ২৮, সফ ৯, তওবা ৩৩) এই মিশন বাস্তবায়নের জন্য রসুল (সা.) মাত্র দশ বছরের মধ্যে ৭৮টা যুদ্ধ করেছিলেন। তিনি জানতেন এতবড় মিশন একজন মানুষের এক জীবনে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তাই তিনি একটি সামরিক জাতি গড়ে তুলেছিলেন, যারা তাদের নেতা মোহাম্মদ (সা.) এর সঙ্গে থেকে প্রতিটা যুদ্ধে অংশ নিয়ে বুঝেছিলেন কীভাবে সংগ্রাম করতে হবে। নেতার ইন্তেকালের সঙ্গে সঙ্গে সেই জাতিটি আরবভূমি থেকে বহির্বিশ্বে বেরিয়ে পড়েছিলেন তওহীদের পতাকা নিয়ে। সেই সাহাবা-আজমাইনদের সংগ্রামের ফলে অর্ধপৃথিবীতে আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠা হয়। মানুষ দরজা খুলে ঘুমানোর মতো নিরাপদ সমাজ পায়। কিন্তু রসুল (সা.) এর ইন্তেকালের ৬০/৭০ বছর পর, সাহাবীদের যুগের পরবর্তী যুগে জাতি তাদের জীবনের উদ্দেশ্য ভুলে যায়। বাকি পৃথিবীতে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বাদ দিয়ে, অস্ত্র ছেড়ে তসবিহ নিয়ে একদল খানকায় ঢুকে সুফি-দরবেশ হবার সাধনা শুরু করে, আরেকদল খাতা-কলম নিয়ে আল্লাহর কিতাব ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের কাজে লেগে পড়ে। ফলে একদিকে সুফি দরবেশ তৈরি হতে থাকে, আরেকদিকে মুফতি, মাওলানা, মুহাদ্দিস, মুফাসসির তৈরি হতে থাকে, কিন্তু মুজাহিদ তৈরি হবার পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। জেহাদ ছেড়ে দেওয়ার সেই আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের ফল আজ মুসলিম জাতি ভোগ করছে শত্রুর কাছে পরাজিত হয়ে ও গোলামী করে। আল্লাহ বলেছিলেন- যদি তোমরা অভিযানে বের না হও তাহলে তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দিব এবং তোমাদের স্থলে অন্য জাতিকে স্থলাভিষিক্ত করব। (তওবা: ৩৯) আজ মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকিয়ে দেখুন আল্লাহর এই হুঁশিয়ারির বাস্তবায়ন হয়েছে কিনা?
তওহীদ নাই
মুসলিমরা যদি একটা দেহ হয়ে থাকে, তাহলে সেই দেহের প্রাণ হলো তওহীদ। তওহীদ হলো আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে হুকুমদাতা, বিধানদাতা হিসেবে না মানা। ১৪০০ বছর আগে রসুল (সা.) ও তাঁর সাহাবীদের সংগ্রামের মাধ্যমে যে উম্মাহ গড়ে উঠেছিল সেই উম্মাহ জীবনের সর্বাঙ্গনে আল্লাহর দেওয়া বিধানে পরিচালিত হতো। কিন্তু বর্তমানে মুসলিমরা তাদের জাতীয় জীবন থেকে আল্লাহর দেওয়া বিধান বাদ দিয়ে পশ্চিমা বস্তুবাদী সভ্যতার দেওয়া বিধান শিরোধার্য করে নিয়েছে। অর্থাৎ জাতীয় জীবনে আল্লাহকে তারা হুকুমদাতা হিসেবে মানছে না। আল্লাহর সঙ্গে শিরক করছে। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে নামাজ রোজা ইত্যাদি চালিয়ে যাচ্ছে। সহজ ভাষায় বললে- এই উম্মাহ এখন ব্যক্তিগত জীবনে ইলাহ মানছে আল্লাহকে, কিন্তু জাতীয় জীবনে ইলাহ মানছে মানুষকে। এভাবেই কার্যত শিরক ও কুফরে ডুবে আছে অধিকাংশ মুসলিমরাই। ফলে আল্লাহর সাহায্য থেকে তারা হচ্ছে বঞ্চিত। কারণ আল্লাহ সব অপরাধের ¶মা করেন, কিন্তু শিরক ¶মা করেন না।
কর্মসূচি নেই
মুসলিম বিশ্বের অধঃপতনের আরেক কারণ আল্লাহর দেওয়া কর্মসূচি হারিয়ে ফেলা। আল্লাহর রসুল এক হাদিসে বলেন- “আল্লাহ আমাকে পাঁচটি কাজের দায়িত্ব দিয়েছিলেন, আমি তোমাদেরকে সেই পাঁচটি কাজের দায়িত্ব দিয়ে যাচ্ছি। সেগুলো হলো- ঐক্যবদ্ধ হও, নেতার আদেশ শোনো, নেতার আদেশ মানো, হেযরত করো, জেহাদ করো।” আল্লাহর রসুল আরও বলেন- যে বা যারা এই ঐক্যবন্ধনী থেকে এক বিঘত দূরে সরে যাবে তাদের গলা থেকে ইসলামের রশি খুলে যাবে। যারা এই কর্মসূচির বাইরে অন্য কোনো কর্মসূচির দিকে ডাকবে- তারা জাহান্নামের জ্বালানিপাথর হবে, যদিও তারা নামাজ পড়ে, রোজা রাখে ও নিজেকে মুসলিম বলে দাবি করে।” [আল হারিস আল আশয়ারী (রা.) থেকে আহমদ, তিরমিযি, বাব উল এমারাত, মেশকাত]
পাঠক, আল্লাহ ও রসুলের দেওয়া সেই পাঁচ দফা কর্মসূচি আজ কোথায়? কোথায় মুসলিমদের ঐক্য? কোথায় নেতার আদেশ শোনা ও মানা? যেখানে নেতাই নাই সেখানে আদেশ শোনা ও মানার প্রশ্ন আসে কি? কোথায় হেযরত? কোথায় জেহাদ? এক কথায় জবাব- আল্লাহর দেওয়া কর্মসূচি এই জাতি বহু আগেই বাদ দিয়েছে। মুসলিমরা এখন পশ্চিমা সভ্যতার তৈরি বিভিন্ন কর্মসূচি অনুযায়ী তাদের জীবন পরিচালনা করছে। এমনকি তথাকথিত ইসলামী দলগুলোও তাদের নিজ নিজ দলীয় কর্মসূচি নিজেরাই বানিয়ে নিয়েছে। অথচ, আল্লাহর রসুল বলেছিলেন- আল্লাহর দেওয়া কর্মসূচি থেকে এক বিঘত দূরে সরে গেলেও গলা থেকে ইসলামের রশি খুলে যাবে।
এত¶ণে আমরা নিশ্চয়ই বুঝে গেছি, মুসলিমদের বিশ্বজোড়া অধঃপতন ও পরাজয়ের অন্তর্নিহিত কারণগুলো কী কী। কখনও কি ভেবে দেখেছেন- আজ যদি সারা বিশ্বের ১৮০ কোটি মুসলমান একজন নেতার অধীনে তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ থাকত এবং আল্লাহর দেওয়া কর্মসূচি মোতাবেক পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবতীর্ণ হতো, তাহলে তাদের সামনে কোনো অত্যাচারী শক্তি এক সেকেন্ডের জন্যও দাঁড়িয়ে থাকতে পারত কি? পারত না। মুসলিমদের উপর কেউ নগ্ন অত্যাচার করতে পারত না এবং বিচারের জন্য মুসলিমদেরকে বেইজিং মস্কো নিউইয়র্কে গিয়ে ধরনা দিতে হতো না, বরং মুসলিমরাই হতো পৃথিবীর শান্তি ও নিরাপত্তার রক্ষক। তাদের মাধ্যমে মানবজাতি পেত সত্যিকারের মানবাধিকার ও স্বাধীনতা। আল্লাহ যেন মুসলিম উম্মাহকে পুনরায় সঠিক পথের দিশা প্রদান করেন।
[লেখক: গবেষক ও প্রাবন্ধিক
যোগাযোগ: ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৭১১৫৭১৫৮১]

মন্তব্য সমূহ (0)

বর্তমানে কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!

আপনার মতামত দিন

জনপ্রিয় ট্যাগ
#মামলার অব্যাহতি #গোলটেবিল বৈঠক #হাইকোর্টের রায় #অপপ্রচার #muchleka #কোরবানি কখন কবুল হবে? #হেযবà§�ত তওহীদ #ইসলামি ইতিহাস #উগ্রবাদ #গুজব #নারী #পর্দা #প্রকৃত ইসলাম #প্রকৃত ইসলামের নারী #হেযবুত তওহীদ #হেযবুত তওহীদের নারী #ইসলাম #নোয়াখালীত #বকধার্মিকতা #মন্তব্য কলাম #মন্তব্য কলাম বাড়ছে বকধার্মিকতা #কারা সেই জান্নাতি ফেরকা? #জান্নাতি #জান্নাতি ফেরকা #মুস্তাফিজ শিহাব #চলমান সঙ্কট #মুখলেছুর রহমান সুমন #রাজনৈতিক ইসলাম #ধর্ম নিয়ে ঘৃণার রাজনীতি #রামমন্দির ও থার্ড টেম্পল #ইসলামের অপব্যাখ্যা #জাতি ভেঙে খানখান #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ির #ধর্ম #পরিণাম জাতি ভেঙে খানখান #ফেরেশতা #মানুষ সৃষ্টির #মো’জেজা: কী কেন কীভাবে? #পহেলা বৈশাখ #সংস্কৃতির #সাংস্কৃতিক অঙ্গন #আমল #ঈমান #আদিবা ইসলাম #এমামুযযামান #রিয়াদুল হাসান #লা’নত নাকি পরীক্ষা #লানত #কাঁটাতারে ব্যর্থ #বিশ্বভ্রাতৃত্বের #মুসলিম #রোড টু ফিলিস্তিন #নামাজ #নামাজ কেন পড়ছেন? #মোহাম্মদ আসাদ আলী #ধর্মজীবিকা #ধর্মবিশ্বাসী #শিক্ষাব্যবস্থা #অশান্তি সৃষ্টির কারণ #এম আর হাসান #চরিত্রহীন নেতৃত্ব #বস্তুবাদী সভ্যতা #বাস্তব সমস্যা #মহানবীর (সা.) #দেশকে রক্ষা #বিশ্ব মুসলমান #মদিনার #রাকীব আল হাসান #মাননীয় এমাম #হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম #ইসলামের ইতিহাস #মো’মেনদের #দাজ্জাল #দাজ্জালকে চিনতে হবে #ধর্মব্যবসা #উম্মতে মোহাম্মাদি #তওহীদ #মো’জেজা: #মুসলিমরা আজ সংকটের সম্মুখীন #খলিফা #দীন প্রতিষ্ঠা #দীনের মূল ভিত্তি #লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ #সেরাতুল মোস্তাকিম #২৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী #civilized’ #deterrent #islam world #world #জীবনব্যবস্থা #প্রশ্ন উত্তর #প্রশ্নোত্তর #হেযবুত তওহীদের #hezbuttawheed #hossain mohammad salim #Resolving the Global Crisis #Students #ঐক্য ##MarathonHT #Marathon #lifestyle #ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যের আহ্বান #workplace #religious extremists #democratic system #economic system #politics #Allah #Aqeedah of islam #God #Haj #Jihad #Kital #Prophet Muhammad #terrorism #কোরবানি #ত্যাগ #বজ্রশক্তি #সম্পাদক এসএম সামসুল হুদা #সাক্ষাৎকার #হেযবুত তওহীদের বিজয় #রসুলুল্লাহর সুন্নাহ #দাসপ্রথার #জঙ্গিবাদ #আইয়্যামে জাহেলিয়াত #জেহাদ #দোয়া #সঠিক জীবন ব্যবস্থা #জ্ঞান #বাণী #ইমাম মাহদী #কবিতা #রাজনীতি #মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা #আশুরা #শহীদ #প্রকৃত ইসলামের মসজিদ #মসজিদে নারী #দাউদ খান পন্নী #ঔপনিবেশিক যুগ #সংগীত #স্বাধীনতা #খোলাফায়ে রাশেদীন #যোদ্ধাসুফি #স্বর্ণযুগের মোল্লাতন্ত্র #মানুষ সৃষ্টি #প্রকৃত ইসলামের বিয়ে #বাংলার সুলতানী যুগ #গণমাধ্যম #মহামান্য এমামুযযামানের জীবনবৃত্তান্ত #ইসলাম অর্থ #শান্তি #পাকিস্তান #দৈনিক বজ্রশক্তি #খেলাধুলা #আইনের উৎস #নির্বাচন #সংস্কৃতি #জ্ঞান-বিজ্ঞান #মহানবীর লড়াই #হজ #সাম্যবাদ ও ইসলাম #বাংলাদেশ #কোর’আন #শিক্ষা #নবুয়তপূর্ব জীবন #ইসলামবিদ্বেষী #ইতিহাস ও ইসলাম #চরমোনাই #ওমর (রা.) #তারেক বিন যিয়াদ #কর্মফল #পুঁজিবাদ #মার্কস #হারাম #সুফিবাদ #বাঙালি #মানবজীবন #মুসলিমদের ইতিহাস #প্রশ্ন #রাগ #আকিদা #কমিউনিজম #জান্নাত-জাহান্নাম #মণীষীদের জীবনী #মধ্যযুগীয় বর্বরতা #স্বর্ণযুগ #গণজোয়ার #গণপ্রতিরোধ #তওহীদী জনতা #কর্মজীবন #ইসলাম আবির্ভাব #ইসলামের বিস্তৃতি #অর্থনীতি #রিজিক #বিস্ময়কর আন্দোলন #নারী স্বাধীনতা #মোনাফেক #সাম্প্রদায়িকতা #তাকওয়া #৫ দফা কর্মসূচি